ইপটিজিন বা যৌন হয়রানি

যৌন হয়রানি বা যৌন নর্যিাতন কি ? যৌন হয়রানি বা যৌন নর্যিাতন বলতে আমারা বুঝি পুরুষ র্কতৃক একজন নারীকে শাররিীক বা মানুসকি ভাবে বর্পিযস্থ হওয়া।সেটি হতে পারে ছেলে মেয়েকে বা মেয়ে ছেলেকে । এছাড়া হতে পারে রাস্তা স্কুল,অফিস এমনকি যে কোন জায়গায় ।এটা কোন ভাল মানুষের ক্াজ নয় ।যৌন  হয়রানী শিকার হয়নি এরকম মেয়ের সংখ্যা পৃথিবীতে খুবই কম ।কেউ প্রকাশ করে আবার কেউ প্রকাশ করে না ।তবে এব্যাপারে আমাদের সকলের যার যার অবস্থান থেকেই সচেতন হতে হবে।

যৌন সহংিসতার কারণ কে নানাভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। এর পছিনে নানা কারণ আছ,ে যমেনঃ  সামাজকি র্অথনীত,ি ক্রোধ, শক্তপ্রির্দশনী, বকিৃত মানুসকিতার অধকিারী, র্আথ সামাজকি এবং পারবিারকি পটভূমি ও র্আথকি পার্চূযতা অনকে সময় র্ধষণরে মানুষকিতা ও তরৈী কর,ে যৌন প্রশান্ত,ি মানসকি অস্থরিতা রূপ্ম ব্যাধ িনীতশিাস্ত্র, আইন, র্ধষতিাকইে দায়ী করা এবং বর্বিতনগত দকি থকে েএ বষিয়টি আলোচনা, গবষেণার এবং ব্যাখ্যার বষিয় হয়ে দাড়যি়ছে।ে রাজনিতৈকি প্রতহিংিসা পরায়ন অনকে সময় র্ধষণরে কারণ হয়ে দাঁড়ায় । মতার্দশ গত ভাবে ভন্নিতা ব্যক্তি মানুষরে মাধ্যে যৌন হয়রানরি কারন ঘট।ে  যা বগিত জাতীয় নর্বিাচনে এবং গত উপজলো নর্বিাচনে দখো গছে।ে

নারী ও কন্যাশশিুর নর্যিাতনরে সংখ্যা আগরে বছররে তুলনায় কমলওে ২০১৮ সালে এর হার উদ্বগেজনক। গত বছর ৩ হাজার ৯১৮ নারী ও কন্যাশশিু নর্যিাততি হয়ছেে যখোনে ৯৪২টইি র্ধষণ জনিত। এর মধ্যে গণর্ধষণরে শকিার ১৮২ জন আর র্ধষণরে পর হত্যা করা হয়ছেে ৬৩ জনক।ে

বাংলাদশে মহলিা পরষিদরে পরসিংখ্যানে এমন ভয়াবহ চত্রি উঠে এসছে।ে বভিন্নি গণমাধ্যমে প্রকাশতি প্রতবিদেন সূত্রে পরষিদরে লগ্যিাল এইড উপ-পরষিদ এসব তথ্য সংরক্ষণ করছে।ে

তথ্যমত,ে বদিায়ী বছরে বাল্যবয়িে সংক্রান্ত ঘটনা ঘটছেে ১৯৩ট।ি এগুলোর মধ্যে ৫২টি বয়িে সম্পন্ন হয়ছে;ে প্রতরিোধ করা হয়ছেে ১৪১ট।ি আর জোরর্পূবক বয়িরে শকিার হয়ছেনে ২১ নারী; র্ধষণরে চষ্টো করা হয়ছেে ১২৮ জনক,ে শ্লীলতাহানরি শকিার হয়ছেনে ৭১ জন।

এছাড়া অ্যাসডি সন্ত্রাসরে শকিার হয়ছেনে ১৯ জন। তাদরে মধ্যে প্রাণ হারয়িছেনে ৩ জন। গলে বছর অগ্নদিগ্ধ হয়ছেনে ৭৩ নারী ও শশিু। তাদরে মধ্যে মারা গছেনে ১৯ জন।

২০১৭ সালে মোট ৫ হাজার ২৩৫ নারী ও কন্যাশশিু নর্যিাততি হয়ছেনে। ওই বছর র্ধষণ জনিত ঘটনা- ঘটছেে ১ হাজার ২৫১ট।ি এর মধ্যে গণর্ধষণরে শকিার ২২৪ জন, র্ধষণরে পর হত্যা করা হয়ছেে ৫৮ জনক;ে র্ধষণরে চষ্টো করা হয় আরও ১৮০ জনক।ে

এছাড়া একই বছর শ্লীলতাহানরি শকিার হয়ছেনে ৯৩ জন, যৌন নর্যিাতনরে শকিার ১৬৪ জন। অ্যাসডি সন্ত্রাসরে মুখে পড়ছেনে ৪০ জন। এর মধ্যে দুজন মারা গছেনে। ৯১ অগ্নদিগ্ধ নারী ও কন্যাশশিুর মধ্যে মারা গছেনে ৩৪ জন।

শতাংশ অপরাধ সংগঠতি হয় র্ধষণ।ে র্ধষণে অভযিুক্তদরে ৬৫.৮% র্ধষণরে মত নারকীয় র্কমকান্ডে লপ্তি থকেওে কোনও প্রকার অনুশোচনা তাদরে মধ্যে হয় না।

১০. ইথওিপয়িা : এই দশেরে ৬০% নারী র্ধষ২০১৮ সালে অপহরণরে ঘটনা ঘটছেে মোট ১৪৫ট।ি পাচার করা হয়ছেে ৪১ নারী ও শশিুকে যাদরে মধ্যে পততিালয়ে বক্রিি করা হয়ছেে ১৫ জনক।ে ২০১৭ সালে অপহরণরে ঘটনা ঘটছেে মোট ১৪৩ট।ি নারী ও শশিু পাচার হয়ছেে ৯৫ জন। এর মধ্যে ৬০ জনকে পততিালয়ে বক্রিি করা হয়ছে।ে

৪৮৮ নারী ও শশিুকে হত্যা করা হয়ছে,ে হত্যার চষ্টো করা হয়ছেে ৩৯ জনক।ে যৌতুকরে জন্য নর্যিাতনরে শকিার হন ২১২ নারী, তাদরে মধ্যে হত্যা করা হয়ছেে ১০২ জনক।ে গৃহপরচিারকিা হসিবেে নর্যিাতনরে মুখে পড়ছেনে ৮৭ জন, এর মধ্যে হত্যা করা হয়ছেে ৫৮ জনকে এবং নর্যিাতনরে কারণে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়ছেনে ৪ জন

যৌন নর্যিাতনে বশ্বিে ১ম ১০টি দশে

র্ধষণ অপরাধে গোটা বশ্বিে এক নম্বরে যে দশে তার নাম আমরেকিা যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম দশ দশে যারা বশ্বিরে লজ্জা! দখেে ননি, তালকিা।

১. আমরেকিা : আমরেকিার র্ধষণরে শকিার নারীর পরসিংখ্যান ৯১% এবং।  ন্যাশনাল ভায়োলন্সে এগইেনস্ট উইম্যানরে র্সাভে অনুযায়ী আমরেকিার প্রতি ৬ জন মহলিার মধ্যে ১ জন র্ধষণরে শকিার।

২. দক্ষণি আফ্রকিা: সন্তান এবং শশিুদরে ওপর যৌন নর্যিাতনরে বষিয়ে দক্ষণি আফ্রকিা গোটা পৃথবিীর মধ্যে দ্বতিীয়। এই দশেে একজন র্ধষকরে শাস্তি মাত্র ২ বছররে কারাবাস। দক্ষণি আফ্রকিাকে বলা হয় ‘রপে ক্যাপটিাল অব দ্য ওর্য়াল্ড’।

৩. সুইডনে : ইউরোপ মহাদশেরে মধ্যে সুইডনেইে সবথকেে বশেি র্ধষণ হয়। প্রতি বছরই প্রায় ৫৮% হারে যৌন নর্যিাতনরে ঘটনা বাড়ে সুইডনে।ে

৪. ভারত :  ভারতে র্ধষণরে শকিার হওয়া ১০০ জন নারীর মধ্যে ৯৮ জনই আত্মহত্যা করনে। প্রতি ২২ মনিটিে ভারতে একটি করে র্ধষণরে অভযিোগ দায়রে হয়।

৫. ব্রটিনে : ৪ লাখ মানুষ প্রতবিছর র্ধষণরে মত ঘটনার শকিার হন ব্রটিনে।ে প্রতি ৫ জন মহলিার (১৬-৫৯ বছর বয়সী) মধ্যে একজন করে র্ধষণরে শকিার হন।

৬. র্জামানি : এখনও র্পযন্ত র্ধষণরে শকিার হয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার নারীর মৃত্যু হয়ছেে র্জামানতি।ে প্রতি বছর র্জামানতিে র্ধষণরে অভযিোগ দায়রে হয় ৬৫ লাখ ৭ হাজার, ৩৯৪।

৭. ফ্রান্স : ফ্রান্সরে সরকারী গবষেোণায় দখো গছেে প্রতি বছরে এই দশেে র্ধষণরে শকিার হন অন্তত ৭৫ হাজার নারী।

৮. কানাডা : এই দশেে এখনও র্পযন্ত লখিতি অভযিোগরে (র্ধষণ) সংখ্যা ২৫ লাখ ১৬ হাজার ৯১৮টি (এই সময় র্পযন্ত)। প্রতি ১৭ জন মহলিার মধ্যে ১ জন করে মহলিা এই দশেে র্ধষতিা হন। যাদরে মধ্যে ৬২% শারীরকিভাবে আহত হন।

৯. শ্রীলঙ্কা : এই দশেে অপরাধরে শতাংশরে বচিারে ১৪.৫ণরে শকিার।

বভিন্নি শদেে র্ধষণরে শাস্তঃি

 

প্রতটিি দশে,ে প্রতটিি সমাজে প্রতটিি ব্যবস্থায় র্ধষণকে সব থকেে বড় এবং ঘৃণ্য অপরাধ বলে ধরে নওেয়া হয়। র্ধষণরে বরিুদ্ধে শাস্তরি বধিানও তমেনভাবইে ঠকি করা হয়। কোথাও কোথাও আবার এই বষিয়টকিে সামাজকি ব্যাধি বলওে ধরে নওেয়া হয়। এই শাস্তরি ফলে নগিৃহীতার জীবনওে নমেে আসে নানা ধরনরে বাধা।

তব,ে বশ্বিে এমন কতগুলি দশে আছে যখোনে র্ধষণরে সাজা মারাত্মক। আসুন দখেনেি সখোনে কমেন সাজা দওেয়া হয়-

চনি: কমউিনজিমিে বশ্বিাসী এই দশেটতিে র্ধষণরে সাজা শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ডই। র্ধষণ প্রমাণ হলইে আর কোনও সাজা নয়, সরাসরি মৃত্যুদণ্ড। আর তা র্কাযকর করা হয় অত্যন্ত দ্রুত।

ইরান: হয় ফাঁস,ি না হয় সোজাসুজি গুল।ি এভাবইে এদশেে শাস্তি দওেয়া হয় র্ধষকক।ে কারণ তারা মনে কর,ে দোষী র্ধষতিা নন, র্ধষকই এই কাজে আসল দোষী।

আফগানস্থিান: এই দশেটরি কথা উঠলইে মনে পরে তালবিানী শাসন। কন্তিু, অদ্ভুত বষিয় আফগানস্থিানে র্ধষণরে হার অত্যন্ত কম। তব,ে সখোনে র্ধষণরে সাজা শুনলে আপনওি আঁতকে উঠবনে। কারণ, র্ধষণ করে ধরা পড়লে সোজা মাথায় গুলি করে মারা হয় র্ধষকক।ে

ফ্রান্স: নর্যিাততিার শারীরকি অবস্থার ওপর নর্ভির করে র্ধষকরে সাজা ঠকি করা হয় এখান।ে তব,ে ধরা পড়ার পর এবং অপরাধ প্রমাণতি হলে কমপক্ষে ১৫ বছররে জলে। অপরাধ গুরুতর হলে তা বডে়ে হতে পারে ৩০ বছরও।

উত্তর কোরয়িা: এদশেে র্ধষণরে সাজা শুধুই মৃত্যুদণ্ড। অভযিোগ, গ্রফেতার আর তারপর অভযিোগ প্রমাণ হলে গুলি করে হত্যা করা হয় র্ধষকক।ে

সৌদি আরব: এখানওে র্ধষণরে কঠোর সাজা দয়ো হয় । র্ধষককে প্রকাশ্যইে বত্রোঘাত করে শাস্তি দয়ো হয় এদশে।ে আর তাই এখানওে র্ধষণরে সংখ্যা অনকেটাই কম।

র্ধষণ কনে ঠকোনো যাচ্ছে না?

রাজনতৈকি কমটিমন্টে ছাড়া এই র্ধষণ , নারীর প্রতি সহংিসতা কমবে না৷ আমরা বার বার বলছেি একটি স্বাধীন ও নপিক্ষে মনটিরংি কমটিি করার জন্য৷ কন্তিু তা করা হচ্ছনো৷ আর যসেব র্ধষণ ও যৌন সহংিসতার ঘটনা ঘটছে তার ২০ ভাগরে বশেি থানায় মামলা হয় না৷ শতকরা এক ভাগরে বশেি শা¯িত হয়না৷”

বচিারহীনতা এবং ভয়রে সংস্কৃতরি কারণে র্ধষণ অনকেটা অপ্রতরিোধ্য হয়ে উঠছে৷ে বচিার না পাওয়ায় এখন অনকেইে আর মামলা করতে আগ্রহী হচ্ছনে না৷ আর ভয়রে কারণওে অনকেে মামলা করতে পারছনে না৷ সাহস পাচ্ছনে না৷ ক্ষমতা আর বত্তিরে কাছে বচিার র্প্রাথীরা অসহায় হয়ে পড়ছনে৷ আর যারা অপরাধী, তারাও জানে যে তাদরে কছিু হবনো৷ তাই তারাও নবিৃত্ত হয় না৷”

তনিি বলনে, ‘‘এরসঙ্গে এখন যুক্ত হয়ছেে ঘৃণার সংস্কৃত৷ি এমনভাবে ঘৃণা ছড়য়িে দয়ো হয় যে মানুষ ক্ষতগ্রিস্ত হন৷ মানুষ নজিকেে গুটয়িে ননে৷ বচিার চান না৷”

যৌন নর্যিাতন প্রতরিোদ

 

১. নারী ও শশিু যৌন নর্যিাতন প্রতরিোধ র্কাযক্রম পরচিালনার জন্য  পরকিল্পণা অনুযায়ী উদ্যোগ গ্রহণ করা।

২. সারাদশেে যৌন নর্যিাতনরে বরিুদ্ধে সামাজকি আন্দোলন গড়ে তোলা।

৩. কন্দ্রেীয় সলেরে পদক্ষপে সঠকি ভাবে বাস্তবায়ন করা।

৪. যৌন নর্যিাতন  বন্ধে প্রয়োজনীয় র্কাযক্রম গ্রহণ করা।

৫. নারী ও শশিু যৌন নর্যিাতনরে বরিুদ্ধে অভযিোগ গ্রহণ ও মমিাংসার ব্যবস্থা করা।রুজুকৃত মামলা ও নষ্পিত্তকিৃত মামলার তালকিা তরৈী করা। মামলাভত্তিকি শাস্তি ববিরণ সংগ্রহ ও কন্দ্রেীয় সলেে প্ররেণ। কন্দ্রেীয় সলেরে দকি নর্দিশে অনুযায়ী র্কাযক্রম গ্রহণ। সব শষেে আমাদরে পুরুষতান্ত্রকি মানুষরে বকিৃত মন মানুসকিতা পরর্বিতন করা।

 

 

নাঈমা খানম
শাখা ব্যবস্থাপক
সাজদো ফাউন্ডশেন
হাসনাবাদ- ৩নং শাখা

leave a comment